সাত দিনের চরমসীমা বিধায়ক কৌস্তভ বাগচীর

ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় গত কয়েক দিন ধরে চলা লাগাতার লোডশেডিংয়ের জেরে চরম ক্ষোভ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। তীব্র গরমে বারবার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের এই অভিযোগ সরাসরি পৌঁছেছিল ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচীর কাছে। সাধারণ মানুষের এই দুর্ভোগের সুরাহা করতে বুধবার পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ পর্ষদের (WBSEDCL) ব্যারাকপুর ডিভিশনের শীর্ষ আধিকারিকদের সাথে একটি জরুরি বৈঠকে বসেন বিধায়ক। সেখানে তিনি আগামী সাত দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন।

হুকিংয়ের সমস্যা ও দ্রুত সমাধানের নির্দেশ

বৈঠকে বিদ্যুৎ পর্ষদের ডিভিশনাল আধিকারিকরা তাঁদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তাঁদের দাবি, শিল্পাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকায় দেদার হুকিং বা অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়ার ঘটনা ঘটছে। এই হুকিংয়ের ফলেই ট্রান্সফরমারের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে এবং বারবার বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা লোডশেডিংয়ের মতো ঘটনা ঘটছে। এই অভিযোগ শোনার পর বিধায়ক স্পষ্ট জানিয়ে দেন, হুকিংয়ের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে এবং এই বেআইনি কাজ রুখতে প্রশাসনিকভাবে কোনো খামতি রাখা চলবে না।

আমজনতার স্বস্তি ও প্রশাসনিক তৎপরতা

বিধায়কের এই অনমনীয় মনোভাব ও সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার পর বিদ্যুৎ পর্ষদের আধিকারিকদের মধ্যেও তৎপরতা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, পর্ষদের পক্ষ থেকে দ্রুত বিভিন্ন এলাকায় লাইন সংস্কার এবং হুকিং বিরোধী অভিযান জোরদার করা হচ্ছে। নির্ধারিত সাত দিনের মধ্যে যদি বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক না হয়, তবে আগামী দিনে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তবে বিধায়কের এই সক্রিয় ভূমিকায় আপাতত কিছুটা স্বস্তির আলো দেখছেন ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের সাধারণ মানুষ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *