নির্বাচনে শান্তি ফেরাতে জিরো টলারেন্স!
পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন: ভোটে ‘জিরো টলারেন্স’, কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া প্রস্তুতি
আগামী ২৩ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের পরিপ্রেক্ষিতে, সল্টলেকের সিআরপিএফ থার্ড সিগন্যাল সেন্টারে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (সিএপিএফ) -এর শীর্ষ কর্মকর্তারা এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন। বৈঠকে বিএসএফ, সিআরপিএফ, সিআইএসএফ, আইটিবিপি এবং এসএসবি-র ডিরেক্টর জেনারেলরা উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচনে বুথ দখল বা ভোটারদের ভয় দেখানো রুখতে ‘জিরো টলারেন্স’ বা শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই পরিকল্পনায় মূল লক্ষ্য হল প্রথম দফার ১৫২টি আসনের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা।
নির্বাচনী নিরাপত্তাকে ত্রুটিহীন করতে এবার ‘ইন্টিগ্রেটেড সিকিউরিটি গ্রিড’ তৈরি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কেন্দ্র ও রাজ্যের গোয়েন্দা তথ্য একত্র করে সিএপিএফ এবং রাজ্য পুলিশ ‘ওয়ান ফোর্স’ হিসেবে কাজ করবে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন কুইক রেসপন্স টিম মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি, স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে আকাশপথে নজরদারি চালাতে ড্রোন ব্যবহার করা হবে। সিআইএসএফ-এর ডিজি প্রবীর রঞ্জন বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছেন যে, জওয়ানদের উপস্থিতি যেন সাধারণ মানুষের মনে নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করে।
কেন্দ্রীয় বাহিনীর এই সক্রিয়তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্র বাহিনীর শীর্ষ কর্তাদের এই যৌথ বৈঠক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তবে নির্বাচন কমিশন ও বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, এবার পদস্থ আধিকারিকেরা সরাসরি ময়দানে থেকে কাজ তদারকি করবেন। অতি-স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে নিয়মিত রুট মার্চ এবং তল্লাশি অভিযান চালানোর মাধ্যমে ভোটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।