নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বিস্ফোরক অনুব্রত!
বর্তমান ডেস্কঃ
বিধানসভার আগে বাংলার রাস্তায় বিশেষ বুলেটপ্রুফ গাড়ি, তীব্র কটাক্ষ অনুব্রতর
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নজিরবিহীন কড়াকড়ি শুরু হয়েছে। দিনহাটা থেকে বীরভূম—রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহারের জন্য আনা হয়েছে বিশেষ ‘বুলেটপ্রুফ’ ও সাঁজোয়া গাড়ি। নির্বাচন কমিশনের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবেই এই উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে ভোট চলাকালীন কোনো প্রকার অশান্তি বা বিশৃঙ্খলা এড়ানো সম্ভব হয়।
বুলেটপ্রুফ গাড়ি নিয়ে রাজনৈতিক তরজা
এই বিশেষ গাড়িগুলোকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল এই উদ্যোগকে কটাক্ষ করে বলেছেন, “সাঁজোয়া গাড়ি দেখে মনে হচ্ছে যেন ভারতের সঙ্গে আমেরিকার যুদ্ধ শুরু হয়েছে।” এই ধরনের নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ ‘রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের দেশ’, তাই এসব গাড়ি দিয়ে মানুষের মনোবল ভাঙা সম্ভব নয়। এছাড়া বীরভূমে তৃণমূলের বড় ব্যবধানে জয়লাভের ব্যাপারেও তিনি এদিন আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন।
নির্বাচনী আবহে নিরাপত্তার গুরুত্ব
বিশ্লেষকদের মতে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করাই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। অতীতের বিভিন্ন নির্বাচনে বীরভূমসহ একাধিক জেলায় অশান্তির অভিযোগ ওঠায় এবার কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। বিপুল পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার তাই জনমনে সুরক্ষার ধারণা যেমন তৈরি করছে, তেমনই বিরোধী ও শাসক দলের মধ্যে রাজনৈতিক বাগবিতণ্ডার নতুন উপলক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই বিশেষ গাড়িগুলো।
এক নজরে
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য ‘বুলেটপ্রুফ’ ও সাঁজোয়া গাড়ি মোতায়েন করা হয়েছে।
- অশান্তি রোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে এগোচ্ছে নির্বাচন কমিশন।
- কেন্দ্রীয় বাহিনীর এই বিশেষ গাড়িগুলোকে নিয়ে কটাক্ষ করেছেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল।
- বীরভূমসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ভোট পরিচালনা ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা কমিশনের বড় চ্যালেঞ্জ।