সাঁকরাইলের হাসপাতালে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে তুলকালাম, তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি

হাওড়ার সাঁকরাইলের হাজি এসটি মল্লিক গ্রামীণ হাসপাতালে রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকালে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল। বানুপুর-২ পঞ্চায়েতের শীতলাতলা এলাকার বাসিন্দা পেশায় গাড়িচালক গোপাল পোদ্দার (৩১) তীব্র পেটে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভরতি হওয়ার কিছুক্ষণ পরই মারা যান। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে মৃতের পরিবার ও স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাঁকরাইল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
মৃতের পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর প্রায় এক ঘণ্টা কোনো চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না। পরবর্তীতে চিকিৎসক এসে পরীক্ষা না করেই তিনটি ইঞ্জেকশন দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং হাসপাতালের এক কর্মীর তা প্রয়োগের পরই রোগীর মৃত্যু হয়। এছাড়া হাসপাতালের রেজিস্টারে ওষুধের নাম কাটাকাটি করে তথ্য পরিবর্তনেরও গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে পরিবার।
ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাময়িকভাবে বাইরে থাকায় মাত্র ১৫ মিনিট দেরি হয়েছিল। রেজিস্টারে নাম সংশোধনকে সাধারণ প্রক্রিয়া বলে দাবি করেছেন তিনি। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ কিশলয় দত্ত জানান, ঘটনার তদন্তে ইতিমধ্যেই তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।