দমদমে তৃণমূলের তুরুপের তাস সরকারি প্রকল্প ও ব্যক্তিগত জনসংযোগ, দুর্নীতির অভিযোগে সরব বিরোধীরা – বর্তমান নিউজ

দমদম বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান ভরসা হয়ে উঠেছে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্প ও পুর প্রতিনিধিদের ব্যক্তিগত স্তরের পরিষেবা। দক্ষিণ দমদম পুরসভার ১৭টি ওয়ার্ডে দলের দাপট বজায় রাখতে কাউন্সিলররা বছরভর পারিবারিক স্তরে যোগাযোগ রক্ষা করছেন। মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানানো থেকে শুরু করে প্রবীণদের বিশেষ ভাতা বা ফ্রি টোটো পরিষেবার মতো উদ্যোগগুলি ভোটারদের প্রভাবিত করছে। শাসক শিবিরের দাবি, এই নিবিড় জনসংযোগের জেরেই আসন্ন নির্বাচনে পূর্বের ১৫ হাজার ভোটের লিডকেও ছাড়িয়ে যাবে তারা।
তবে তৃণমূলের এই উন্নয়ন মডেলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছে বিরোধী দলগুলি। সিপিএম এবং বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, এলাকায় একপ্রকার ‘তালিবানি শাসন’ ও সিন্ডিকেটরাজ চলছে। তাঁদের প্রশ্ন, কাউন্সিলরদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে সমাজসেবামূলক কাজের বিপুল অর্থের উৎস কী? বিরোধীদের দাবি, বেআইনি প্রোমোটারি ও দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত অর্থের একাংশ ভোটের স্বার্থে বিলি করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ গণতান্ত্রিক উপায়ে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলে এই সন্ত্রাসের আবহ ও দুর্নীতির যোগ্য জবাব দেবে বলে তাঁরা আত্মবিশ্বাসী।
তৃণমূল নেতৃত্ব বিরোধীদের যাবতীয় অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। শহর তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর নেতৃত্বে দমদম এখন সংস্কৃতির পীঠস্থান এবং কাউন্সিলররা সারাবছর মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকেন। হারের আতঙ্ক থেকেই বিরোধীরা মিথ্যে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে তাঁদের অভিমত। লোকসভা ও বিধানসভা ভোটের পরিসংখ্যান তুলে ধরে শাসক দল নিশ্চিত যে, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করালেও দমদমে তৃণমূল প্রার্থীর বিপুল জয় কেউ রুখতে পারবে না। এবারও দক্ষিণ দমদমের ফলাফল জয় নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা নেবে।
⏹