বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট: রেশনিং ও কর ছাড়ে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছে বিভিন্ন দেশ – বর্তমান নিউজ

ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাতের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। মিয়ানমারে তপ্ত রোদে পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অসুস্থ হয়ে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, থাইল্যান্ডে ফুরিয়ে গেছে ডিজেল সরবরাহ। এমন পরিস্থিতিতে নাইজেরিয়া ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলো আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে পরিবহন খরচ কমানো এবং কর মকুবের মতো জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
সংকট মোকাবিলায় ভিয়েতনাম সরকার সাময়িকভাবে পরিবেশ কর প্রত্যাহার করেছে এবং নাগরিকদের বাড়ি থেকে কাজ বা ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ করার পরামর্শ দিয়েছে। অন্যদিকে, নাইজেরিয়া গ্যাস ও বিদ্যুৎচালিত যানবাহনে রূপান্তরের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। কেনিয়ায় পচনশীল পণ্য রপ্তানিকে অগ্রাধিকার দিতে বন্দর কার্যক্রমে পরিবর্তন আনা হয়েছে, কারণ দেশটির ফুল শিল্প ইতোমধ্যেই কয়েক মিলিয়ন ডলারের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
মিয়ানমারে বারকোড ও কিউআর কোডের মাধ্যমে কড়া রেশনিং ব্যবস্থা চালু হয়েছে, যেখানে ইঞ্জিনের আকার অনুযায়ী সাপ্তাহিক জ্বালানি বরাদ্দ করা হচ্ছে। থাইল্যান্ডে ডিজেল সংকট নিরসনে রিজার্ভ মজুত ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি সরকারি কর্মীদের এসি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে এবং বিদেশ সফর স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশ্বজুড়ে সরকারগুলো এখন বিকল্প জ্বালানি ও কৃচ্ছ্রসাধনের মাধ্যমেই এই বৈশ্বিক সরবরাহ বিপর্যয় মোকাবিলার চেষ্টা করছে।