সিলিন্ডার সঙ্কট থেকে মুক্তি পেতে চান? জেনে নিন পাইপলাইন গ্যাস সংযোগের পদ্ধতি ও খরচ – বর্তমান নিউজ

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট এলপিজি সিলিন্ডার সঙ্কট মোকাবিলায় কেন্দ্র সরকার এখন পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাস (পিএনজি) ব্যবহারে বিশেষ জোর দিচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে গ্রাহকদের পিএনজি সংযোগ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আপনার এলাকায় সংশ্লিষ্ট সিটি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন সংস্থার পরিষেবা উপলব্ধ থাকলে আপনি সরাসরি অনলাইন বা স্থানীয় কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের জন্য পরিচয়পত্র, ঠিকানার প্রমাণ এবং বাড়ির মালিকানার নথিপত্র থাকা আবশ্যক।
পিএনজি সংযোগের ক্ষেত্রে একটি প্রধান বিষয় হলো ফেরতযোগ্য সিকিউরিটি ডিপোজিট, যা সংস্থাভেদে সাধারণত ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে নতুন সংযোগের প্রাথমিক খরচ ৭,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে, যেখানে ১৫ মিটার পর্যন্ত পাইপলাইন অন্তর্ভুক্ত থাকে। তবে শহর ও সরবরাহকারী সংস্থা অনুযায়ী এই খরচের তারতম্য ঘটে। আবেদনের পর টেকনিশিয়ানরা পরিকাঠামো পরিদর্শন করেন এবং সবকিছু ঠিক থাকলে পাইপলাইন ও মিটার স্থাপনের মাধ্যমে সংযোগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
যেসব এলাকায় ইতিমধ্যে পাইপলাইন নেটওয়ার্ক সক্রিয় রয়েছে, সেখানে সাধারণত ৭ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়ে যায়। পাইপলাইন গ্যাসের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এতে সিলিন্ডার বুকিংয়ের ঝামেলা থাকে না এবং ব্যবহার অনুযায়ী মাসিক বিল পরিশোধ করতে হয়। দিল্লি বা মুম্বইয়ের মতো শহরে এর ব্যাপক বিস্তার থাকলেও ভারতের অন্যান্য টিয়ার-২ শহরগুলিতে বর্তমানে দ্রুত এই নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ চলছে। নিরাপদ ও সাশ্রয়ী হওয়ায় বর্তমানে বহু গ্রাহক সিলিন্ডারের বিকল্প হিসেবে পিএনজি-কে বেছে নিচ্ছেন।