প্রেমের অদ্ভুত রসায়ন: কেন এমন আচরণ করেন যুগলরা? – বর্তমান নিউজ

ভালোবাসার টানে মানুষের আচরণে আসে আমূল পরিবর্তন। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, প্রেমে পড়লে শরীরে ‘অক্সিটোসিন’ বা লাভ হরমোনের নিঃসরণ বৃদ্ধি পায়, যার প্রভাবে যুগলরা একে অপরের প্রতি প্রচণ্ড সংবেদনশীল হয়ে ওঠেন। সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে জাপ্টে ধরা, চুল টেনে দেওয়া কিংবা আধো-আধো বুলিতে কথা বলার মতো বিষয়গুলো মূলত এই হরমোনেরই প্রভাব। এই আচরণগুলো সম্পর্কের বাঁধন ও পারস্পরিক বন্ধুত্বকে আরও দৃঢ় করতে সাহায্য করে।
শারীরিক ঘনিষ্ঠতার পাশাপাশি লাভ বাইট বা কামড় দেওয়ার মতো প্রবণতাও অনেকের মধ্যে দেখা যায়। সঙ্গীর ব্যবহৃত পোশাক বা সুগন্ধি ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরের সান্নিধ্য অনুভব করার চেষ্টা করেন অনেকে। আবার সম্পর্কের গভীরতা বাড়লে একে অপরের সামনে সংস্কারমুক্ত হয়ে চলাফেরাও সহজ হয়ে ওঠে। এই ছোট ছোট বিষয়গুলো মানসিক ক্লান্তি দূর করে শরীর ও মনকে চাঙ্গা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
তবে সমাজের একাংশ যুগলদের এই ধরনের আচরণকে ‘আদিখ্যেতা’ হিসেবে গণ্য করলেও মনোবিদদের মতে, এগুলো প্রেমের স্বাভাবিক বহিঃপ্রকাশ। প্রিয় মানুষের সামনে কোনো রাখঢাক না রেখে নিজের মতো থাকাটাই সম্পর্কের আসল ভিত্তি। সময়ের সাথে সাথে এই দুষ্টু-মিষ্টি খুনসুটিগুলোই সম্পর্কের রসায়নকে দীর্ঘস্থায়ী করে তোলে। শেষ পর্যন্ত এই বিশেষ মুহূর্তগুলোই প্রতিটি মানুষের জীবনে অনন্য স্মৃতি হিসেবে থেকে যায়।