শোনার ক্ষমতা কি অজান্তেই হারাচ্ছেন শরীরের এই ৫ সংকেত উপেক্ষা করলেই বিপদ

শ্রবণশক্তি কমে যাওয়ার সমস্যাটি সাধারণত হঠাৎ ঘটে না বরং শরীর দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন সতর্কবার্তা দিতে থাকে। প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো অন্যদের কথা বারবার পুনরাবৃত্তি করতে বলা অথবা ভিড়ের মধ্যে কারো কথা অস্পষ্ট মনে হওয়া। এছাড়া টিভি বা মোবাইলের ভলিউম অন্যদের তুলনায় অস্বাভাবিক বাড়িয়ে রাখা শ্রবণশক্তি হ্রাসের একটি বড় ইঙ্গিত। অনেক সময় মনে হতে পারে চারপাশের মানুষ বিড়বিড় করে কথা বলছে, যা আসলে কানের অভ্যন্তরীণ কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার ফল।
কানে সারাক্ষণ ঝিঁঝিঁ বা হিসহিস শব্দ হওয়া যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে টিনিটাস বলা হয় সেটিও একটি গুরুতর লক্ষণ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন যে উচ্চস্বরের শব্দ ঠিকমতো ধরতে না পারা বা কানে অদ্ভুত আওয়াজ হওয়াকে অবহেলা করলে স্থায়ী বধিরতার ঝুঁকি বাড়ে। এই ধরনের সমস্যা দেখা দিলে বিলম্ব না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সঠিক সময়ে সচেতনতা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করলে শ্রবণশক্তি রক্ষা করা সম্ভব এবং পরবর্তী জটিলতা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।