রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বলি কি সাধারণ মানুষ? সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনায় চরম বিতর্ক

নিউজ ডেস্ক : সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা কি রাজনীতির দাবার ঘুঁটি হয়ে দাঁড়াচ্ছে? সাংবাদিক সুরজিৎ দাশগুপ্তের বিরুদ্ধে পুলিশের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ নাগরিকদের মনে গভীর আশঙ্কার সৃষ্টি করেছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে যখন ভিন্নমতকে দমন করা হয়, তখন প্রশ্ন ওঠে পুলিশের প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে। একজন সাংবাদিককে কোনো আগাম নোটিশ ছাড়াই ভিন রাজ্য থেকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা আইনের শাসনের নামে চরম প্রহসন ছাড়া আর কিছু নয়। রাজনৈতিক নেতাদের সন্তুষ্ট করতে পুলিশ প্রশাসন ব্যস্ত থাকলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও আইনি অধিকার যে ভূলুণ্ঠিত হবে, তা বলাই বাহুল্য।
তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র ও প্রশান্ত কিশোরের ব্যক্তিগত চ্যাট ফাঁসের ঘটনায় পুলিশের অতি-সক্রিয়তা এখন জনমনে আতঙ্কের কারণ। অপরাধ যদি সাত বছরের কম শাস্তির হয়, তবে যথাযথ নোটিশ দেওয়ার আইনি বিধান থাকলেও কেন তা মানা হচ্ছে না? রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে যদি আইনের এমন অপপ্রয়োগ চলতে থাকে, তবে যে কেউ যেকোনো সময় প্রশাসনের রোষানলে পড়তে পারেন। নারী সুরক্ষা বা সাধারণ মামলার চেয়ে রাজনৈতিক স্পর্শকাতর ঘটনায় পুলিশের এই বাড়তি তৎপরতা রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে এক অস্থির পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।