মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মেঘ: ইরান সীমান্তে রণতরী পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা এখন চরমে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের নীতি পরিস্থিতিকে যুদ্ধের কিনারে ঠেলে দিয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন চুক্তিতে না পৌঁছালে ইরানকে ‘ভয়াবহ পরিণতির’ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। বর্তমানে ওই অঞ্চলে ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ডসহ শক্তিশালী মার্কিন রণতরী ও স্টিলথ বোমারু বিমান মোতায়েন করা হয়েছে।
সম্প্রতি জেনেভায় ওমানি দূতের মধ্যস্থতায় দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা হলেও কোনো সমাধান মেলেনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রোগ্রাম সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। তবে তেহরান তাদের প্রতিরক্ষা ও পারমাণবিক অধিকার নিয়ে কোনো আপস করতে নারাজ। বিশ্লেষকদের মতে, দাবি মানার জন্য ইরানকে ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হতে পারে।
মার্কিন সামরিক চাপের মুখে অনমনীয় অবস্থানে রয়েছে তেহরান। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, মার্কিন নৌবাহিনীকে প্রতিহত করার ক্ষমতা তাদের রয়েছে। এদিকে রাশিয়া ও চিনের সঙ্গে উত্তর আরব সাগরে যৌথ নৌ-মহড়া শুরু করেছে ইরান। ইজরায়েলও সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি নেওয়ায় গোটা অঞ্চল এখন এক ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের আশঙ্কায় দিন গুনছে।