ভোটার তালিকায় নথির অসঙ্গতি: কমিশনের স্ক্যানারে গাফিলতি করা ইআরও-রা

রাজ্যের ভোটার তালিকায় ব্যাপক নথির অসঙ্গতি ঘিরে চরম অস্বস্তিতে নির্বাচন কমিশন। পাঁশকুড়া পশ্চিমের এক ভোটারের পারিবারিক তথ্যে গরমিল থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী আধিকারিক (ERO) সেটিকে ‘ঠিক আছে’ বলে অনুমোদন দেওয়ায় বিতর্ক দানা বেঁধেছে। পর্যাপ্ত প্রমাণ ছাড়াই কীভাবে এই আবেদনগুলি বৈধতা পেল, তা নিয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছে কমিশন।
ইতিমধ্যেই রোল অবজার্ভারদের পক্ষ থেকে বহু নাম পুনরায় পর্যালোচনার (To be reviewed) তালিকায় রাখা হয়েছে। সূত্রের খবর, জেলাভেদে এই ত্রুটিপূর্ণ নামের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে, যা লক্ষ্যমাত্রার বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে। প্রয়োজনীয় ১৩টি নথির বাইরে ভুল নথিপত্র জমা দিয়েও যারা অনুমোদন পেয়েছেন, তাঁদের নাম চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে।
গাফিলতির অভিযোগে অভিযুক্ত আধিকারিকদের একটি তালিকা তৈরি করছে কমিশন। সরকারিভাবে মুখ না খুললেও, এই ঘটনায় যুক্ত ইআরও-দের বিরুদ্ধে দিল্লি কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এসআইআর প্রক্রিয়া শেষের মুখে হওয়ায় কয়েক লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কায় প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে।