বঞ্চিত বাংলার শিক্ষা নাকি রাজনীতির দাবার চাল? কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাতে আমজনতার কপালে চিন্তার ভাঁজ

বঞ্চিত বাংলার শিক্ষা নাকি রাজনীতির দাবার চাল? কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাতে আমজনতার কপালে চিন্তার ভাঁজ

নিউজ ডেস্ক : রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ও রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর বাক্যযুদ্ধে সরগরম রাজনীতি। মিড-ডে মিলের অর্থ নয়ছয় থেকে শুরু করে জাতীয় শিক্ষানীতি কার্যকর না করার অভিযোগে রাজ্যকে বিঁধেছেন ধর্মেন্দ্র। তাঁর দাবি, কেন্দ্রের নীতি না মানায় কয়েক হাজার কোটি টাকার অনুদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বাংলা। এই সংঘাতে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন উঠছে, রাজনীতির যাঁতাকলে পড়ে কি শেষমেশ রাজ্যের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ ও পরিকাঠামো উন্নয়নের সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছে?

পাল্টা জবাবে ব্রাত্য বসু স্পষ্ট জানিয়েছেন, বাংলার নিজস্ব শিক্ষানীতি অনেক বেশি আধুনিক এবং মাতৃভাষায় শিক্ষার প্রসারে রাজ্য আপসহীন। ইন্টারনেট পরিষেবা থেকে শুরু করে কৃত্রিম মেধার অন্তর্ভুক্তি— প্রতিটি ক্ষেত্রেই কেন্দ্রের দেওয়া পরিসংখ্যানকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন তিনি। একদিকে কেন্দ্রের আর্থিক শর্ত আর অন্যদিকে রাজ্যের নিজস্ব নীতি বজায় রাখার লড়াইয়ে সাধারণ অভিভাবকরা এখন শঙ্কিত। শিক্ষা যদি কেবল রাজনৈতিক দোষারোপের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়, তবে প্রান্তিক স্তরের স্কুলগুলোর মানোন্নয়ন কতদূর সম্ভব হবে, তা নিয়ে জনমনে সংশয় বাড়ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *