দলিত নির্যাতনের দুই ভয়াবহ চিত্র: ওড়িশায় পরিষেবা বিচ্ছিন্ন ও হিমাচলে ছাত্র নিগ্রহ

ওড়িশার বলাঙ্গির জেলার একটি দলিত বস্তিতে জাতিগত বৈষম্যের জেরে বিদ্যুৎ ও জল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। গ্রামবাসীদের দাবি, সরকারি প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও তাঁদের এলাকা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে, যার ফলে পানীয় জলের সংকট ও অন্ধকারে মানবেতর জীবন কাটছে তাঁদের। কান্তাবাঞ্জির তহশিলদার বিশ্বনাথ খালখো অবশ্য দ্রুত তদন্ত ও সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।
অন্যদিকে, হিমাচল প্রদেশের সিমলায় এক আট বছরের দলিত ছাত্রের ওপর তিন শিক্ষকের নৃশংস অত্যাচারের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। অভিযোগ, ‘নিচু জাত’ হওয়ার কারণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ অন্য শিক্ষকরা শিশুটির ওপর লাগাতার মারধর ও যৌন নির্যাতন চালিয়েছেন। এমনকি শৌচাগারে নিয়ে গিয়ে ছাত্রটির অন্তর্বাসে বিষাক্ত কাঁকড়াবিছে ঢুকিয়ে দেওয়ার মতো অমানবিক কাজও করা হয়েছে।
ভয়াবহ এই নিগ্রহের জেরে শিশুটির কানের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সে চরম আতঙ্কগ্রস্ত। ছাত্রের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে পকসো এবং তফশিলি জাতি-উপজাতি নিগ্রহ প্রতিরোধ আইনে মামলা রুজু করেছে। শিক্ষাঙ্গনে জাতপাতের এই নোংরা রাজনীতি এবং পাশবিকতায় বর্তমানে স্তম্ভিত গোটা দেশ। অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি উঠছে সব মহল থেকে।