ট্রাম্পের এক হুঙ্কারে কি বদলে যাবে ইরানের শাসনব্যবস্থা

নিউজ ডেস্ক : ইরানের শাসনক্ষমতায় পরিবর্তনই এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘ ৪৭ বছরের সংঘাত ও প্রাণহানির অবসান ঘটাতে ধর্মীয় শাসকগোষ্ঠীকে সরিয়ে নতুন নেতৃত্বের পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়ে তেহরানের ওপর সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়িয়েছে ওয়াশিংটন। আমেরিকার এই কঠোর অবস্থান সাধারণ ইরানিদের দৈনন্দিন জীবন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইরানের ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছেন। ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, পারমাণবিক কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা বন্ধ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। অন্যদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান নতি স্বীকার না করার ঘোষণা দেওয়ায় দুই দেশের সংঘাতের জাঁতাকলে সাধারণ জনগণের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তার মুখে। এই ভূ-রাজনৈতিক লড়াই শেষ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধি ও নিরাপত্তার অভাব তৈরি করতে পারে।